ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতাপ্রিয় পাঠক, আপনারা সকলেই নিশ্চয়ই ত্বকের যত্ন নেওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। কেননা আমরা সকলেই নিজের ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখতে চাই। ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্যকে অনেক গুনে বৃদ্ধি করে দেয়। বিশেষ করে মেয়েরা ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখার ঘরোয়া উপায় গুলো সম্পর্কে জানতে বেশি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকেন। তাই আজকে আমি আমার এই পোস্টে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখার জন্য ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়
তাই আপনারা যারা এই বিষয়ে জানতে চান, তারা আমার এই পোস্টটি অতি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি আশা করছি যে, এই পোস্টটি পড়লে আপনাদের ত্বকের সমস্যাগুলো দূর করে ত্বকের ফর্সা ও উজ্জ্বল ভাব ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন

ভূমিকা

ত্বক আমাদের অমূল্য সম্পদ, তাই ত্বকের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। ত্বক ভালো থাকলে আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। কিন্তু নানা কারণে আমাদের ত্বক কালো হয়ে যায়, কালো দাগ তৈরি হয়, ব্রণের সৃষ্টি হয়। ত্বকের এই সমস্যাগুলো দূর করার উপায় এবং ত্বকের যত্ন নেওয়ার ঘরোয়া উপায় গুলো জানা অতি জরুরী। এই উপায়গুলো জানা থাকলে আমরা খুব সহজেই ত্বকের কালো ভাব দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আনতে পারব। আসুন আমরা ত্বকের যত্ন নেওয়ার ঘরোয়া উপায়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়

ত্বক ফর্সা করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে, তার মধ্যে ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায়গুলো আমরা খুব সহজেই প্রয়োগ করতে পারি। নিচে ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো।

গুঁড়া দুধ ও লেবুর রসের ফেইস প্যাকঃ ১ চা চামচ গুঁড়ো দুধ, ২ চা চামচ লেবুর রস এবং ১/২ চা চামচ মধু এই ৩ টি জিনিস একসাথে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্ট পুরো মুখে মেখে ১০ মিনিটের মত লাগিয়ে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পর মুখে সামান্য পানি ভরিয়ে মুখ ভালোভাবে মেসেজ করতে হবে। কিছুক্ষণ মেসেজ করার পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে দেখবেন আপনার মুখে উজ্জ্বলতা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে সপ্তাহ ১-২ বার এই পেস্টটি লাগাতে পারেন।

পেঁপে ও ডিমের প্যাকঃ ২ চা চামচ পেঁপের রস, ১ চা চামচ টক দই, ৩ চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার, ২ চামচ আমন্ডঅয়েল, সামান্য গ্লিসারিন ও একটি ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিটের মতো রেখে দিন। ২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে হালকা ঘষে কিছুক্ষণ মেসেজ করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে আর ডিমের এই প্যাকটি ত্বকের কালো আবরণ দূর করে ত্বকের উজ্জলতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে।

টক দই ও ওটমিলের প্যাকঃ ৩ চা চামচ ওটমিল ভালো করে ভিজিয়ে তার সাথে ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করুন। এই মাস্কটি পুরো মুখে, গলায়, হাতে ও পায়ে লাগাতে পারেন। এতে করে আপনার শরীরের ত্বকের কালো দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

অ্যালোভেরা জেলঃ এলোভেরা জেল ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায় এর মধ্যে অন্যতম। ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল এর সাথে সামান্য বাদাম গুঁড়া মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর এই পেস্টটি আপনার পুরো মুখে, গলায় ও হাত-পায়ে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিটের জন্য। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

বেসন ও লেবুর রসের প্যাকঃ ৩ চা চামচ বেসন, ২ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও সামান্য পরিমাণ গোলাপজল দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর এই প্যাকটি আপনার মুখে ও শরীরের অন্যান্য অংশে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর পানি দিয়ে আস্তে আস্তে মেসেজ করে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ১-২ বার এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

হলুদ ও টমেটো ফেসপ্যাকঃ ১ চা চামচ টমেটো রসের সাথে সামান্য পরিমাণ হলুদ মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেজটি আপনার মুখে লাগিয়ে রাখুন এবং শুকিয়ে যাওয়ার পর পানি দিয়ে আস্তে আস্তে ধুয়ে ফেলুন। হলুদ-টমেটোর এই প্যাকটি আপনার মুখের কালো দাগ দূর করে ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করবে।

দুধ ও কলার প্যাকঃ একটা মাঝারি সাইজের কলাকে ভালো করে চটকিয়ে তার সাথে সামান্য পরিমাণে দুধ মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি আপনি আপনার মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগাতে পারেন। এই প্যাকটি আপনার ত্বককে ধীরে ধীরে উজ্জ্বল করে দিবে।

চন্দন গুঁড়ার ফেসপ্যাকঃ চন্দনের গুঁড়া বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। চন্দনের গুঁড়ার সাথে পানি অথবা গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে ভালো উপকার পাওয়া যায়। চন্দনের পেস্ট তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী।

পুদিনা পাতার প্যাকঃ পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যাসট্রিজেন্ট উপাদান যা ত্বকের পুষ্টি যুগে ত্বকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। কয়েকটি পুদিনা পাতা পেস্ট করে পুরো মুখমণ্ডলে ১৫ মিনিটের মত রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়ে যাবে এবং ত্বকের লাবণ্যতা বজায় থাকবে।

মধু ও লেবুর রসের প্যাকঃ ২ চা চামচ মধু ও ১ চা চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে ২০ মিনিটের মত লাগিয়ে রাখুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ও শরীর ভালো হবে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করতে পারবেন।

খাবার সোডা ও পানিঃ পরিমাণ মতো খাবার সোডা ও তার সাথে অল্প পরিমাণ পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর পেস্টটি মুখে, গলায় ও হাত-পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিটের মত রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন এতে করে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

কমলার খোসাঃ কমলার খোসা ত্বকের কালচে ভাব দূর করে এবং ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। কমলার খোসা ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এরপর ৪ টেবিল চামচ কমলা খোসার গুড়ার সাথে দুধ বা মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর এই পেজটি আপনার মুখ, গলা ও হাত-পায়ে ২০ মিনিটের মত লাগিয়ে রাখুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে দেখবেন আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।

আলুর ফেইস প্যাকঃ আলুর রস ত্বকের রোদে পোড়া কালো দাগ দূর করে ত্বককে ফর্সা করতে সাহায্য করে। ১ টেবিল চামচ আলুর রসের সাথে প্রয়োজন মত লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি আপনার মুখ, গলা ও হাত-পায়ে ১৫ মিনিটের মতো লাগিয়ে রাখুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ৩-৪ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন

ত্বক ভালো রাখার জন্য ত্বকের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। আমরা যদি নিয়মিত আমাদের ত্বকের যত্ন নেই তাহলে আমাদের ত্বক সুন্দর ও সুস্থ থাকবে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন তা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।

নিয়মিত গোসল করাঃ ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রথম ধাপ হল নিয়মিত গোসল করা। গোসল করার সময় নিয়মিত সাবান বা শাওয়ার জেল ব্যবহার করুন। এতে করে ত্বক পরিষ্কার ও নরম থাকবে।

হলুদ গুঁড়াঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের দাগ দূর করতে হলুদে গুরুত্ব অনেক। ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো সাথ ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই পেস্টটি হাত হাত ও পায়ে আঙ্গুলে এবং দাগ যুক্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। প্রায় ২০ মিনিট পর লেবুর রস দিয়ে খসে তুলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা জেলঃ অ্যালোভেরা জেল ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার অন্যতম উপাদান। ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল এর সাথে সামান্য বাদাম গুঁড়া মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর এই পেস্টটি আপনার পুরো মুখে, গলায় ও হাত-পায়ে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিটের জন্য। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

অলিভ অয়েল ও চিনিঃ অলিভ অয়েল ও চিনি প্রায় সকলের ঘরে থেকে থাকে। অলিভ অয়েলের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে তা আধা ঘন্টার মত ত্বকে লাগিয়ে রাখুন এবং শুকানোর পর কুসুম গরম পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে গোসল করে নিন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। এতে করে আপনার ত্বক কোমল ও মসৃণ দেখাবে।

মধু ব্যবহারঃ মধু ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য পানির সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে ২০ মিনিটের মতো রেখে দিন এবং ২০ মিনিট পর এই মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে করে দেখবেন আপনার ত্বকের আদ্রতা রক্ষা পেয়েছে।

নারিকেল তেলঃ নারকেল তেল একটি ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এজন্য রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নারিকেল তেল দিয়ে ত্বক হালকা ভাবে মেসেজ করে নিলে উপকার পাবেন।

শসাঃ শসা ত্বকের জন্য অনেক উপকারী একটি উপাদান। শসা ত্বককে সুদিং করতে সাহায্য করে যা ত্বকের ইচিনেচ অনেকটাই কমিয়ে ফেলে। এজন্য চোখের এরিয়ার কালো দাগ দূর করতে বা কমাতে শসার জুড়ি নেই।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

তৈলাক্ত ত্বকে সাধারণত ত্বকের সমস্যা বেশি পরিলক্ষিত হয়। এজন্য তৈলাক্ত ত্বক হলে সব সময় ত্বকের পরিচর্যা করা প্রয়োজন। নিচে তৈলাক ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায় গুলো তুলে ধরা হল।

ত্বক পরিষ্কারঃ তৈলাক্ত ত্বক হলে ক্ষারীয় সাবান এড়িয়ে চলুন এবং গ্লিসারিন যুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। নিয়মিত প্রতিদিন দুইবার করে মুখ পরিষ্কার করুন।

মধু ব্যবহারঃ তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বেশি হয়ে থাকে। এজন্য নিয়মিত মধু ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রসঃ ১ টি ডিমের সাদা অংশের সাথে সামান্য পরিমান লেবুর রস মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি আপনি নিয়মিত আপনার তৈলাক্ত ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো উপকার পাবেন।

বেসন ও লেবুর রসের প্যাকঃ তৈলাক্ত ত্বক ফর্সা করতে বেসন ও লেবুর রস বেশ কার্যকরী। ৩ চা চামচ বেসন, ২ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও সামান্য পরিমাণ গোলাপজল দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর এই প্যাকটি আপনার মুখে ও শরীরের অন্যান্য অংশে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর পানি দিয়ে আস্তে আস্তে মেসেজ করে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ১-২ বার এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

টক দই ও ওটমিলের প্যাকঃ ওটমিল ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে সাহায্য করে। ৩ চা চামচ ওটমিল ভালো করে ভিজিয়ে তার সাথে ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করুন। এই মাস্কটি পুরো মুখে, গলায়, হাতে ও পায়ে লাগাতে পারে। এতে করে আপনার শরীরের ত্বকের কালো দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

জোজোবা তেলঃ জোজোবা তেলের সাথে চন্দনের গুড়া মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে তৈলাক্ত ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সপ্তাহ ২-৩ দিন এই প্যাকটি ব্যবহার করলে ভালো উপকার মিলবে।

মুলতানি মাটিঃ মুলতানি মাটি তৈলাক্ত ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। এজন্য প্রতিদিন একবার করে মুলতানি মাটির সাথে পানি/গোলাপ জল/মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

শেষ কথা

উপরে আলোচনা থেকে আমরা ত্বকের যত্ন নেওয়ার ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে জানতে পারলাম। আপনার ত্বকের সমস্যা যদি অতিরিক্ত বেশি হয়ে থাকে, আমরা যদি নিয়মিত আমাদের ত্বকের যত্ন নেই তাহলে আমরা আমাদের ত্বকে না ধরার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো।

পরিশেষে আমি এটাই বলব যে, এই পোস্টটি পড়ে আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন এবং সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

AN Heaven এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url