টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার করার উপায় জেনে রাখুন

জন্ডিসের লক্ষণ ও প্রতিকারঋতু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হয়ে থাকে। জ্বর এর মধ্যে অন্যতম একটি অসুখ। জ্বর নানা প্রকারের হয়ে থাকে। জ্বরের মধ্যে টাইফয়েড জ্বর মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই আমাদের টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরী। টাইফয়েড জ্বর হলে কি কি খাওয়া উচিত সে সম্পর্কেও আমাদের ধারণা রাখা প্রয়োজন। আজকে আমি টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার করার উপায় সম্পর্কে আমার এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করব।

টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার

তাই আপনারা যদি টাইফয়েড জ্বর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমার এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি আশা করছি যে, আপনারা এই পোস্টটি পড়লে টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃটাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার করার উপায় জেনে রাখুন

ভূমিকা

কমবেশি জ্বর সকলেরই হয়ে থাকে। সাধারণত আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেয়। জ্বর অনেক ধরনের হয়ে থাকে। এর মধ্যে টাইফয়েড জ্বর খুবই মারাত্মক যা হলে সহজে ভালো হতে চায় না। এজন্য টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা রাখা উচিত। যেন আমরা এ ধরনের জ্বর হলে দ্রুত নিরাময়ের পন্থা অবলম্বন করতে পারে।

টাইফয়েড জ্বর কি

টাইফয়েড জ্বর ব্যাকটেরিয়া জনিত একটি রোগ যা দ্রুত রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা না করলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। জ্বর কোন রোগ নয়, একটি এটি একটি উপসর্গ মাত্র। তাই প্রাথমিক অবস্থায় সব জ্বর একই রকমই মনে হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে সাধারণ জ্বর বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক জ্বরে রূপ নেয়। সকল ধরনের জ্বরের লক্ষণ প্রায় একই রকমই হয়ে থাকে, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত রক্ত টেস্টের মাধ্যমে জ্বরের ধরন সম্পর্কে জানা সম্ভব। টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে। সাধারণত টাইফয়েড একটি পানিবাহিত মারাত্মক রোগ। দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শরীরে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে এবং এই ব্যাকটেরিয়ার জীবাণু টাইফয়েড জ্বরের সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুনঃ ভাইরাস জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার

এছাড়া অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণেও এ ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করতে পারে।টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত রুগীর রক্তস্রোতে ও আন্তনালীতে এই ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে এবং দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া দেহের প্রবেশ করে রক্তস্রোতে ও অন্তনালীতে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে খুব সহজেই সাধারণ জ্বর টাইফয়েড জ্বরে পরিণত হতে পারে। তাই দ্রুত টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

টাইফয়েড জ্বর কেন হয়

টাইফয়েড জ্বর একটি মারাত্মক ধরনের জ্বর। যা হলে সহজে ভালো হতে চায় না। এটি যদি অধিক মাত্রায় ও অনেক দিন স্থায়ী হয় তাহলে আমাদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করতে পারে। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। নিচে টাইফয়েড জ্বর কেন হয় তা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

  • স্যালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে টাইফয়েড জ্বর হয়ে থাকে।
  • এটি একটি পানিবাহিত রোগ যা দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের কারণে হয়ে থাকে।
  • সাধারণত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে স্যালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হয়ে  টাইফয়েড জ্বর হয়ে থাকে।
  • অনেক সময় জ্বরের স্থায়িত্বকাল বেশি হলে সাধারণ জ্বর টাইফয়েড জ্বরে রূপ নিয়ে থাকে।
  • বাইরে থেকে আসার পর আমাদের শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে এই জ্বর হতে পারে।
  • অনেক সময় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এলেও এ জ্বর সংক্রমিত হতে পারে।

টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ

সাধারণত প্রথমদিকে সাধারণ জ্বরের মতোই লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে থাকে। কিন্তু এর স্থায়িত্বকাল বাড়ার সাথে সাথে জ্বরের লক্ষণগুলো আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। যা ধীরে ধীরে টাইফয়েড জ্বরে রূপ নেয়। টাইফয়েড জ্বরের বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা যায়। নিচে টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো।

  • প্রথম লক্ষণ হল ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত টানা অনেক দিন এই জ্বর থাকবে।
  • এই জ্বর হলে গোটা শরীর ও গিরাই গিরায় প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হবে।
  • খাওয়াতে প্রচুর অরুচি হয় এবং খেতে গেলে বমি ভাব হয়।
  • পেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হয় এবং ডায়রিয়া বা আমাশয়ের মত সমস্যা দেখা দেয়।
  • প্যারাসিটামল খেলেও তেমন একটা জ্বর কমে না।
  • এ জ্বর হলে সর্দি-কাশি ও প্রচন্ড গলা ব্যথা হয়ে থাকে।
  • টাইফয়েড জ্বর হলে নাক ও চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরতে থাকে।
  • এ সময় চোখ অনেক ফুলে যায় ও চোখ চুলকাতে থাকে।
  • গলা প্রচন্ড ব্যথা করে ও ঢোক গিলতে অনেক সমস্যা হয়।
  • প্রচন্ড মাথা ঘুরে এবং খিচুনি হয়ে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে।
  • এ সময় রোগীর হার্টবিট অনেক কমে যায়।
  • টাইফয়েড জ্বর হলে ধীরে ধীরে গোটা শরীরে এলার্জি সৃষ্টি হতে থাকে।
  • এ জ্বর হলে বড়দের ও শিশুদের মুখের ভেতর ঘা হয়ে থাকে।

টাইফয়েড জ্বর হলে প্রতিকার

টাইফয়েড জ্বর হলে অবশ্যই রোগীর শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তাপমাত্রা যদি ১০০ ডিগ্রীর উপরে চলে যায় তাহলে তা কমানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। টাইফয়েড জ্বর হলে প্রতিকার করবেন কিভাবে তা নিচে তুলে ধরা হলো

  • তাপমাত্রা বেশি হলে কপালে জলপট্টি দিতে হবে। গামছা বা তোলাতে পানিতে ভিজিয়ে বারে বারে গা মুছিয়ে দিতে হবে।
  • অতিরিক্ত জ্বর হলে ঘন ঘন মাথায় পানি ঢালতে হবে।
  • জ্বর হলে রোগীকে অবশ্যই আলো-বাতাস সমৃদ্ধ জায়গায় রাখতে হবে। কোন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা যাবে না।
  • অতিরিক্ত জ্বর হলে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীকে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেতে দিন।
  • যেহেতু এই জ্বর পানিবাহিত তাই পানি পান করানোর আগে সেই পানি ভালো করে ফুটিয়ে বা পরিশোধন করে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।
  • এ সময় খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খাওয়াতে হবে।
  • খাবার তৈরীর আগে সকল জিনিসপত্র ও খাদ্য সামগ্রী ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
  • টয়লেটে করার পর ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত-পা পরিষ্কার করে নিতে হবে।
  • টাইফয়েডে আক্রান্ত রোগীর চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে।
  • জ্বর হলে রোগীকে বাইরের খাবার খেতে দিবেন না। কারণ বাইরের খাবার হাইজেনিক নয়। বাইরের খাবারে অনেক ধরনের রোগ জীবাণু থাকতে পারে যা জ্বরকে আরো বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • এ সময় রোগীকে চা, কফি বা অ্যালকোহল জাতীয় কোন খাবার দেওয়া যাবে না। এতে করে শরীরে পানিশূন্যতা হতে পারে। তবে গলা ব্যথা করলে অল্প পরিমাণে আদা চা খাওয়ানো যাবে।
  • টাইফয়েডজনিত জ্বর হলে রোগীকে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করানো যাবে।
  • এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
  • জ্বর হলে রোগীকে অবশ্যই কোলাহলমুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। রোগীর আশেপাশে কোন ধরনের কোলাহল থাকা যাবে না।

টাইফয়েড জ্বর হলে কি কি খাওয়া উচিত

টাইফয়েড জ্বর হলে এবং জ্বর সেরে ওঠার পর রোগীকে কিছু নির্দিষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। যা খেলে রোগীর শারীরিক দুর্বলতা কেটে যাবে এবং রোগীর সুস্থ অনুভব করবে। টাইফয়েড জ্বর হলে কি কি খাওয়া উচিত তা নিচে তুলে ধরা হলো।

  • টাইফয়েড জ্বর হলে কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার বেশি বেশি খাওয়া উচিত। এ সময় নরম ভাতের সাথে হালকা মসলাযুক্ত ঝোলের তরকারি রোগীকে খেতে দিতে হবে।
  • এ সময় নরম খিচুড়ি রোগীকে খেতে দিতে হবে।কারন নরম খাবার সহজে হজম হয়।
  • এ সময় বেশি করে ভিটামিন সি জাতীয় ফল রোগীকে খেতে দিতে হবে। যেমন- আম, আনারস, পেয়ারা, কমলা, মাল্টা, আঙ্গুর, কামরাঙ্গা, আমড়া ইত্যাদি ফলমূলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে।
  • অতিরিক্ত মাত্রায় জ্বর হলে শরীর পানি শূন্য হয়ে যায়। এজন্য এ সময় পানি ও পানি জাতীয় বিভিন্ন খাদ্য রোগীকে খাওয়াতে হবে। যেমন- গুড় বা চিনির শরবত, বিভিন্ন ফলের রস, আখের রস, ডাবের পানি, স্যালাইন ইত্যাদি রোগীকে বেশি বেশি খেতে দিন।
  • এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণের পুষ্টিকর খাবার ও নরম খাবার দিতে হবে। যেমন- নরম খিচুড়ি, মারি ভাত, বিভিন্ন ধরনের ডাল, স্যুপ, মুরগি ও মাছের ঝোলের তরকারি ইত্যাদি খেতে দিতে হবে।
  • এ সময় রোগীকে দুধ ও ডিম বেশি করে খাওয়াতে হবে। এ খাদ্যগুলো রোগীর শরীরে শক্তি জোগাতে সহায়তা করবে।
  • জ্বর হলে বা জ্বরের পরবর্তী সময়ে রোগীকে বেশি করে টাটকা সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খেতে দিন।
  • জ্বর হলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, এজন্য রোগীকে বেশি করে ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে দিন। যেমন- দুধ, দই, পনির, বাদাম, আখরোট, সামুদ্রিক মাছ, নেহারী, সজনে পাতা, ব্রকলি, ঢেঁড়স, শুটকি মাছ, ডুমুর, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার।
  • এ সময় রোগীর ক্যালরির যোগান দিতে পাকা কলা বেশি করে খাওয়াতে হবে।

টাইফয়েড জ্বর হলে কি গোসল করা যায়

জ্বর হলে গোসল করানো যাবে না এ কথাটি আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে। গোসল করলে ঠান্ডা বসে যাবে, তাতে করে জ্বর আরো বেড়ে যাবে এ ধারণার কারণে আমরা জ্বরের রোগীকে গোসল করাই না। জ্বর হলে কপালে জলপট্টি দেওয়া হয়, মাথায় পানি ঢালা হয় এবং গামছা ভিজিয়ে গোটা শরীর মুছে দেওয়া হয়। সাধারণত এই পদ্ধতিতে আমরা জ্বরের রোগীর ঘরোয়া ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমান সময়ে বৈজ্ঞানিকদের মতে, জ্বরের রোগীকে গোসল করানো একেবারেই নিষেধ নয়। প্রয়োজন পড়লে টাইফয়েড জ্বরের রোগীকে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করানো যাবে।

গোসল না করলে এমনিতেই শরীরের মধ্যে অস্থির লাগে। আর যদি জ্বর অবস্থায় একটানা কয়েকদিন গোসল করা না হয়, তাহলে শরীরের মধ্যে অস্থিরতা আরো বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শরীল আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। এছাড়া টাইফয়েড রোগীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং একমাত্র গোসল করলেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থাকা সম্ভব। টাইফয়েড আক্রান্ত রোগীকে ১-২ দিন পর পর হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করাতে পারেন। এতে করে রোগীর কোন সমস্যা হবে না বরং রোগী শরীর সতেজ থাকবে।

টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে

টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই জাগতে পারে। তাই আমি আজকে এই প্রশ্নের উত্তর আপনাদেরকে দিব। টাইফয়েড জ্বর ছোঁয়াচে রোগ, এটি একজনের মাধ্যমে অন্যজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এটি পানিবাহিত রোগ হওয়ায় সহজেই তা সকলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। টাইফয়েড আক্রান্ত রোগী সংস্পর্শে এলেও এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরিবারে একজন সদস্যের টাইফয়েড হলে অন্য সদস্যদেরও আক্রান্ত হওয়ার চান্স থেকে থাকে। তাই একজনের টাইফয়েড জ্বর হলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে।

শেষ কথা

উপরে আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার গুলো কি কি হতে পারে। যদি জ্বর সহজে ভালো না হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে এবং ব্লাড টেস্ট করতে হবে। আর ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ টাইফয়েড রোগীকে নিয়মিত খাওয়াতে হবে এবং তার সাথে রোগীকে পুষ্টিকর খাবারও খেতে দিতে হবে।

পরিশেষে আমি এটাই বলব যে, আমার এই পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করে দিবেন এবং সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

AN Heaven এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url