পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব তা জেনে রাখুন

মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতাপ্রিয় শিক্ষার্থী, পরীক্ষা আসলেই আপনারা অনেকেই পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব সে বিষয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। আপনাদের দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য আজকে আমি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব সে বিষয়ে একটি আর্টিকেল আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করতে যাচ্ছি। এছাড়াও পরীক্ষার খাতায় লেখার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করব।

পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব

তাই আপনারা যারা পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব সে বিষয়ে জানতে চান তারা অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি আশা করছি যে, আপনারা এই আর্টিকেলটি করলে পরীক্ষা বিষয়ক অনেক তথ্য জানতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃপরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব তা জেনে রাখুন

ভূমিকা

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনে পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরীক্ষা ছাড়া শিক্ষাজীবন কল্পনা করা যায় না। পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে আমরা শিক্ষাজীবনে এক ধাপ শেষ করে অন্য আরেক ধাপে উত্তীর্ণ হই। পরীক্ষা দেওয়ার আগে কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের মেনে চলা উচিত। এতে করে খুব সহজেই ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব হবে। পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব, পরীক্ষার আগে পড়ার রুটিন, পরীক্ষার খাতায় লেখার নিয়ম, পরীক্ষার আগে কি খাওয়া উচিত এ সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটি পড়তে হবে। আসুন তাহলে পরীক্ষা বিষয়ক আর্টিকেলটি পড়া শুরু করা যাক।

পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব

আমরা যারা পরীক্ষার্থী রয়েছি আমরা সকলেই চাই অল্প সময়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে। অল্প সময়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার কিছু উপায় রয়েছে, যেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।

পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখাঃ সকল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ভালো করার জন্য তার পড়ার পরিবেশটি কোলাহলমুক্ত ও নিরিবিলি হতে হবে। যেন শিক্ষার্থী মনোযোগ সহকারে তার পড়াশোনা ভালো ভাবে চালিয়ে যেতে পারে। এতে করে অল্প সময়ের মধ্যেই পড়া আয়েত্তে আনা যাবে এবং পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব হবে।

পড়ার টাইম টেবিল তৈরি করাঃ পড়াশোনা শুরু করার আগে অবশ্যই পড়ার টাইম টেবিল তৈরি করতে হবে। যদি একজন শিক্ষার্থী পড়ার টাইম টেবিল তৈরি করে সে অনুযায়ী তার পড়াশোনা চালিয়ে যায়, তাহলে অবশ্যই সে শিক্ষার্থী খুব অল্প সময়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে পারবে।

লেখার অভ্যাস করাঃ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উচিত পড়া মুখস্ত করার পর তা লেখার প্র্যাকটিস করা। এতে করে পড়া অতি দ্রুত মুখস্ত হবে, মনে থাকবে এবং ভুল-ভ্রান্তি গুলো সহজেই ধরা পড়বে। এর ফলে পরীক্ষার সময় খুব তাড়াতাড়ি নির্ভুলভাবে উত্তর লিখে ফেলা সম্ভব হবে।

পড়া বুঝে পড়াঃ পড়ালেখার সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীদের উচিত পড়া ভালোভাবে বুঝে পড়া। এতে করে পড়া সহজেই মুখস্ত হবে এবং মনেও থাকবে। পড়া মনে থাকলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় খুব দ্রুততার সাথে লিখা কমপ্লিট করতে পারবে। এতে করে রেজাল্ট অনেক ভালো করা সম্ভব হবে।

গ্রুপ স্টাডি করাঃ অল্প সময়ে ভালো ফলাফল করার জন্য গ্রুপ স্টাডি শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন বিষয় নিয়ে গ্রুপ করে পড়াশুনা করলে সেই বিষয়ের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে নানা ধরনের ধারণা পাওয়া যায় যা একার মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব হয় না। গ্রুপ স্টাডি করলে যেমন পড়াগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়, তেমনি আলোচনার মাধ্যমে জটিল বিষয়গুলো সম্পর্কে বিশদ ধারণা পাওয়া যায়। এতে করে শিক্ষার্থীর মধ্যে শেখার প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।

নোট তৈরি করাঃ অল্প সময়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার একটি কার্যকরী পন্থা হলো নোট তৈরি করে পড়া। একই বিষয়ে অনেকগুলো বইয়ের সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো আলাদাভাবে লিখে নোট তৈরি করলে রেজাল্ট ভালো করা সম্ভব।

টেকনিক ব্যবহার করাঃ কিছু কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে মেমোরি টেকনিক ব্যবহার করে পড়া মনে রাখা যায়। শটকাট কিছু টেকনিক আয়ত্ত করে পড়া মনে রাখলে তা দীর্ঘদিন স্থায়িত্ব হয়।

নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকাঃ কখনোই পড়াশোনা ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে নেতিবাচক চিন্তা করা যাবে না। সব সময় পজিটিভ চিন্তা করতে হবে। মানসিক ভাবে নিজেকে শক্ত রাখলে যেকোনো ধরনের পরীক্ষা খুব সহজে ভালো করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে করণীয়

বিরতি নেওয়াঃ একটানা অনেকক্ষণ না পড়ে পড়ার মাঝে মাঝে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। একটানা অনেকক্ষণ পড়াশোনা করলে শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এতে করে পড়াশোনার ব্যাঘাত ঘটে এবং পরীক্ষা খারাপ হয়। এজন্য সকল শিক্ষার্থীদের উচিত পড়ার মাঝে মাঝে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিয়ে আবার পড়া শুরু করা।

অতিরিক্ত রাত না জাগাঃ পরীক্ষার সময় অনেকে শিক্ষার্থীই অতিরিক্ত রাত জেগে পড়াশোনা করে। কিন্তু এটি করা মোটেও উচিত নয়। অতিরিক্ত রাত জাগলে শরীর অনেক খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে করে পরীক্ষা খারাপ হতে পারে। লরেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত রাত জাগলে মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন হয়। এজন্য রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠে পড়ার অভ্যাস করা উচিত।

পড়া ফেলে না রাখাঃ পড়া সবসময় সময় মতো কমপ্লিট করে রাখা উচিত। পড়া জমিয়ে না রেখে শিক্ষার্থীরা যদি নির্দিষ্ট টাইম মতো পড়া সম্পূর্ণ করে রাখে, তাহলে খুব সহজেই পরীক্ষা ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের ওপর কোন মানসিক ও শারীরিক চাপও পড়বে না।

স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার টাইম মতো গ্রহণঃ সঠিক সময়ে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেলে শিক্ষার্থীদের শরীর সুস্থ থাকবে এবং ব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পরীক্ষার সময় অভিভাবকদের
খাবারের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখা জরুরী। এ সময় আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে দিতে হবে এবং তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার গুলো গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পরীক্ষার আগে পড়ার রুটিন

পরীক্ষার আগে পড়ার রুটিন করে পড়াশোনা করলে পরীক্ষা ভালো ভাবে দেওয়া যায়। কিভাবে পরীক্ষার আগে পড়ার রুটিন তৈরি করতে হবে সে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

  • পরীক্ষার আগে আমাদের সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হল ক্যালেন্ডারে পরীক্ষার দিনগুলো দাগ দিয়ে রাখা। এতে করে কোন পরীক্ষা কবে আছে তা চোখের সামনে থাকলে পড়ার গতি বৃদ্ধি পাবে।
  • পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত টেনশন করা যাবে না। অতিরিক্ত টেনশন করলে পড়ার প্রস্তুতি মোটেও ভালো হয় না। এজন্য টেনশন ফ্রি হয়ে পড়াশোনা করতে হবে।
  • ফেসবুক, ফাইবার চ্যাটিং ইত্যাদি ইন্টারনেট বিষয়ক মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে হবে এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে হবে।
  • পরীক্ষার আগে কোন বিষয়গুলো বেশি কঠিন ও কোন বিষয়গুলো সহজ সেই সব প্রশ্নগুলো বাছাই করতে হবে এবং কঠিন প্রশ্নের উত্তরগুলো প্রথমে পড়া শুরু করতে হবে। এতে করে কঠিন বিষয়গুলো পরবর্তীতে সহজ হয়ে যাবে।
  • কোন প্রশ্নের উত্তরগুলো কতটুকু সময় ধরে পড়তে হবে বা কতটুকু সময় পড়লে কমপ্লিট হবে সে সম্পর্কে একটি রুটিন তৈরি করতে হবে।
  • পরীক্ষার আগে কয়দিন হাতে সময় রয়েছে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে এবং সে অনুযায়ী পড়ার রুটিন তৈরি করতে হবে।
  • একটানা অতিরিক্ত সময় না পড়ে পড়ার মাঝখানে বিরতি দিয়ে পড়লে পড়া দ্রুত শেষ করা যাবে এবং তা মনেও থাকবে।
  • ভালোভাবে পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় ঘুমের দরকার। টাইম মাফিক ঘুমিয়ে পড়তে হবে এবং এবং টাইম মাফিক ঘুম থেকে উঠে পড়াশোনা শুরু করে দিতে হবে।
  • সারাদিনে কখন কোন বিষয় পড়তে হবে তা রুটিনে উল্লেখ রাখতে হবে এবং সে অনুযায়ী পড়াশোনা করতে হবে।
  • পড়ার সময় অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নোট করে রাখতে হবে। এতে করে পরবর্তীতে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে।
  • পরীক্ষার আগে অবশ্যই মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, গেম ইত্যাদি বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে।

পরীক্ষার খাতায় লেখার নিয়ম

পরীক্ষার খাতায় লেখার কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। পরীক্ষার খাতায় লেখার নিয়ম-কানুন গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

  • পরীক্ষার খাতায় কালো, নীল ও পেন্সিল ছাড়া আর কোন কালীর দাগ দেওয়া যাবে না।
  • পরীক্ষার খাতা পেয়ে সর্বপ্রথমে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার সহ সকল তথ্যাদি পূরণ করে ফেলতে হবে।
  • পরীক্ষার খাতায় উপরে ও বাম পাশে এক ইঞ্চির মতো করে দাগ টানতে হবে।
  • লুজ শিট নেওয়ার পর সর্বপ্রথমে লুজ শিটের নাম্বার মূল খাতার উপরে যে ঘর রয়েছে সেখানে তুলে নিতে হবে।
  • সময় কম থাকলে লুজ শীটে দাগ না টেন ভাজ করে নিলে সময় অনেকটাই বেঁচে যাবে।
  • খাতায় দ্রুত লিখার চেষ্টা করতে হবে যাতে সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়।
  • পরীক্ষার খাতায় সবসময় গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবেন এবং অতিরিক্ত আজেবাজে লেখা না লেখার চেষ্টা করবেন।
  • প্রশ্নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে লেখার চেষ্টা করতে হবে, এতে করে খাতা দেখা অনেক সহজ হয়।
  • লেখার সময় অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে লেখার চেষ্টা করতে হবে এবং খাতায় অতিরিক্ত কাটাকাটি করা যাবে না।
  • লেখার সময় যদি কোন বানান ভুল হয়ে যায় তাহলে তা এক টানে কেটে দিতে হবে।
  • প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় অবশ্যই প্যারা করে লেখার চেষ্টা করতে হবে, এতে করে লেখা দেখতে অনেক সুন্দর লাগে।
  • লেখার উপরে কখনই ওভার রাইটিং করা যাবে না। এটি করলে খাতা দেখতে অনেক খারাপ লাগবে এবং নাম্বারও কম আসবে।
  • পয়েন্ট ভিত্তিক উত্তরগুলো লেখার সময় অবশ্যই পয়েন্টের নিচে আন্ডারলাইন দিতে হবে। এতে করে সহজেই পয়েন্টগুলো চোখে পড়বে।
  • ভুল করে অনেক শিক্ষার্থী এক পৃষ্ঠা ফাঁকা রেখে অন্য পৃষ্ঠায় চলে যায়। এরকম হলে ফাঁকা পৃষ্ঠায় পরিদর্শকের স্বাক্ষর নেওয়া উচিত।
  • সকল উত্তর লেখা শেষ করার পরে সময় থাকলে অবশ্যই কয়েকবার করে রিভিশন দিয়ে নিতে হবে। এতে করে যে ভুলগুলো থাকবে তা সংশোধন করা সম্ভব হবে।

পরীক্ষার আগে কি খাওয়া উচিত

পরীক্ষার আগে অবশ্যই নিজের শরীরকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে হবে। এতে করে পরীক্ষা দিতে গিয়ে কোন শারীরিক সমস্যায় পড়তে হবে না। শরীর সুস্থ রাখার জন্য এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খাওয়া জরুরী এবং এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো পরিহার করাও জরুরী। এ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।

  • সবসময় কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খেতে হবে এতে করে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়ে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
  • পরীক্ষার আগে নিজের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য অবশ্যই নরম ও সহজে হজম হয় এমন খাবার খেতে হবে।
  • আমিষ ও প্রোটিনযুক্ত খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। যেমন- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি নিয়মিত খেতে হবে।
  • অতিরিক্ত লবণ ও চিনি এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এগুলো শরীরের ক্ষতি সাধন করে।
  • ক্যাফেইনযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্যাফেইন শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
  • ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয় এ ধরনের খাবারগুলো অতিরিক্ত গ্যাসের সৃষ্টি করে।
  • ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম দূর করতে সাহায্য করে।
  • অবশ্যই তরল ও পানিজাতীয় খাবার বেশি বেশি গ্রহণ করতে হবে। যেমন- ফলের রস, ডাল, স্যুপ ঝোলের তরকারি ইত্যাদি।
  • বাহিরে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বাইরের প্রক্রিয়াজাত খাবার শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর।

শেষ কথা

উপরে আলোচনা থেকে আমরা পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিব সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারলাম। প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের উচিত পরীক্ষার আগে নিয়মিত মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করা। পড়াশোনা ছাড়া কখনোই ভালো পরীক্ষা দেওয়া ও ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব নয়। যে যত বেশি পড়াশোনা ও পরিশ্রম করবে সে তত বেশি ভালো রেজাল্ট করতে পারবে।

পরিশেষে আমি এটাই বলব যে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লেখা আমার আর্টিকেলটি পড়ে ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন এবং এ ধরনের আরও আর্টিকেল পেতে সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

AN Heaven এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url