পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে নিন

ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায়পাকা টমেটো খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। যারা পাকা টমেটো খেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন এবং পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে চান, তাদের জন্য আমার আজকের এই পোস্টটি। পাকা টমেটো খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি টমেটো খেলে ওজন কমে। এছাড়া আজকে আমি আমার এই পোস্টে পাকা টমেটো উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে যাচ্ছি।

পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা

তাই যারা পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান তারা এই পোস্টটি অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি আশা করছি যে, এই পোস্টটি পড়লে আপনারা পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃপাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে নিন

ভূমিকা

পাকা টমেটো আমাদের সকলেরই অনেক পছন্দের একটি সবজি বা ফল। পাকা টমেটো সাধারণত আমরা সালাদ করে বেশি খেয়ে থাকি। আবার অনেক সময় তরকারির মধ্যে দিয়ে রান্না করেও খেয়ে থাকি। টাকা টমেটো আমরা যেভাবেই খেয়ে থাকি না কেন এর পুষ্টিগুণ একই থাকে। পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আমাদের কম বেশি অনেকেরই কিছুটা হলেও ধারণা রয়েছে। কিন্তু যাদের পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা নেয়, তারা এই পোস্টটি পড়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন।

টমেটোর পুষ্টিগুণ

টমেটোর পুষ্টিগুন অনেক তা আমরা অনেকেই জানি। কাঁচা ও পাকা টমেটোতে রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টিকর উপাদান যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করে। আসুন আমরা এখন জেনে নেই টমেটোর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে। ১০০ গ্রাম টমেটোতে রয়েছে-

  • ক্যালরি- ১৮ গ্রাম
  • ফাইবার- ১.২ গ্রাম
  • আমিষ- ০.৯ গ্রাম
  • শর্করা- ৩.৯ গ্রাম
  • চর্বি- ০.২ গ্রাম
  • লৌহ- ০.৩ মিলিগ্রাম
  • জিংক-০.১৭ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম- ৫ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস- ২৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন সি- ১৩ মিলিগ্রাম
  • পটাশিয়াম- ২৩৭ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম- ১০ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম- ১১ মিলিগ্রাম
  • কোলেস্টেরল- ০ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন এ- ৮৩৩ আইইউ
  • লাইকোপেন- ২৫৭২ মাইক্রগ্রাম

এছাড়া টমেটোতে আরো অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। এ সকল পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরকে সুস্থ ও সরল রাখতে সাহায্য করে। এজন্য আমাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত।

টমেটো খেলে ওজন কমে

টমেটো একটি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি। টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ উপাদান যা আমাদের নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। টমেটোতে কোলেস্টেরল ও চর্বির পরিমাণ রয়েছে খুবই সামান্য এবং ক্যালরি রয়েছে তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। তাই টমেটো খেলে শরীরে চর্বি জমে না এবং শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে টমেটো আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। যারা ডায়েট করেন তারা যদি নিয়মিত টমেটো খান, তাহলে খুব দ্রুতই শরীরের মেদ কমে ওজন অনেক গুনে হ্রাস পাবে।

আরও পড়ুনঃ পাকা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

এছাড়া টমেটোতে থাকা পুষ্টিগুণ আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। টমেটোতে প্রায় ৯৪ শতাংশ পানি থাকে তাই এটি দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। টমেটোতে রয়েছে অ্যামাইনো এসিড যা শরীরের মেদ ঝরাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

পাকা টমেটো খাওয়ার উপকারিতা

স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য একটি খাদ্য হলো পাকা টমেটো। পাকা টমেটো সালাদ এবং রান্না করে খাওয়া যায়। দুই ভাবেই পাকার টমেটো খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। পাকা টমেটো খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি সহ আরো অনেক পুষ্টিগুণ বিদ্যমান রয়েছে, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করে। আমরা যদি নিয়মিত টমেটো খাই তাহলে আমাদের শরীরে এনার্জি অনেক গুনে বৃদ্ধি পাবে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেঃ টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল রয়েছে এবং এতে কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেক কম। যার ফলে টমেটো আমাদের শরীরের রক্তচাপ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আমাদের শরীরে রক্ত সঠিকভাবে যাতে চলাচল করতে পারে এজন্য আমাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত।

তক ও চুলের যত্নঃ টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন যা আমাদের ত্বককে সূর্য রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। পাকা টমেটো চুলের রুক্ষতা ও চুল ঝরা দূর করতে সাহায্য করে। নিয়মিত টমেটো খেলে আমাদের ত্বকের ও চুলের উজ্জ্বলতা অনেক গুনে বৃদ্ধি পাবে।

দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতেঃ টমেটো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ, যা আমাদের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পাকা টমেটো খেলে আমাদের চোখের কর্নিয়া সুস্থ থাকবে, যার ফলে আমরা চোখের নানা ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকবো।

রক্ত বৃদ্ধিঃ টমেটো খেলে আমাদের শরীরের রক্তশূন্যতা দূর হয়ে যায়। টমেটো আমাদের শরীরের রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে। যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন তারা নিয়মিত পরিমাণ মতো পাকা টমেটো খান, দেখবেন এতে করে আপনার রক্তশূন্যতা অনেকটাই পূরণ হয়ে গেছে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণঃ টমেটোতে ক্রোমিয়াম নামক এক ধরনের খনিজ পদার্থ রয়েছে। যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত টমেটো খেলে তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

দাঁত ও হাড়ের সুরক্ষায়ঃ পাকা টমেটোতে থাকা ভিটামিন-সি আমাদের দাঁতের না ধরনের সমস্যা রোধ করে দাঁতের সুরক্ষা দেয়। এছাড়া টমেটো রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-কে যা আমাদের হারকে শক্ত রাখে এবং হাড়ের সঠিক গঠন হতে সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরঃ টমেটো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আমাদের শরীরকে সুস্থ-সবল রাখতে সাহায্য করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা যদি প্রতিদিন নিয়মিত পাক টমেটো খান,তাহলে এ সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাবেন।

ক্যান্সার প্রতিরোধঃ ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে টমেটো কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। টমেটোতে থাকা লাইকোপেন ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। যদি প্রতিদিন নিয়মিত টমেটো খাওয়া হয় তাহলে ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে।

সর্দি -কাশি নিয়ন্ত্রণেঃ টমেটোতে থাকা পুষ্টিগুণ সর্দি-কাশি নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকরী। সর্দি-কাশি হলে পাকা টমেটো দিয়ে স্যুপ তৈরি করে খেলে, সর্দি-কাশিতে অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়।

ওজন কমায়ঃ টমেটো থাকা পুষ্টিগুণ উপাদান শরীরের চর্বি হতে দেয় না এবং শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। যারা শরীরের ওজন কমাতে চান তারা অবশ্যই নিয়মিত পরিমাণ মতো পাকা টমেটো খান। এতে করে আপনার শরীরের পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে এবং তার সাথে ওজনও কমে যাবে।

পাকা টমেটো খাওয়ার অপকারিতা

পাকা টমেটোর যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি কিছু অপকারিতা রয়েছে। নিচে পাকা টমেটো খাওয়ার অপকারিতা গুলো তুলে ধরা হলো।

এলার্জিঃ পাকা টমেটোতে হিস্টামিন নামে এক ধরনের উপাদান রয়েছে যা থেকে ত্বকে ছোপ ছোপ দাগ দেখা দিতে পারে। এছাড়া যাদের টমেটোতে এলার্জি আছে তাদের টমেটো খেলে নানা ধরনের এলার্জিগত সমস্যা হতে পারে। যেমন-মুখ, জিহ্বা ও মুখের ফোলাভাব, হাঁচি-কাশি, গলায় জ্বালাপোড়া করা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।

গ্যাসের সমস্যাঃ পাকা টমেটোতে ম্যালিক অ্যাসিড ও সাইট্রিক এসিড থাকে যা পাকস্থলীতে অতিরিক্ত এসিডিটি সৃষ্টি করে। যার ফলে গ্যাসের সমস্যা বেড়ে যায়। এজন্য যাদের অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তাদের টমেটো কম খাওয়ায়ই ভালো।

পেটের সমস্যাঃ যাদের পেটের সমস্যা রয়েছে তাদের অতিরিক্ত টমেটো খাওয়া একদমই উচিত নয়। টমেটো খেলে পেটের সমস্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য যতটুকু সম্ভব কম পাকা টমেটো খাওয়া উচিত।

কিডনিতে পাথরঃ অতিরিক্ত টমেটো খেলে কিডনিতে পাথর দেখা দিতে পারে। পাকা টমেটোতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও অক্সালেট যা শরীর থেকে সহজে বের হতে পারে না। এই উপাদান শরীরের জমে কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। 

বাতের সমস্যাঃ পাকা টমেটোতে সোলানিন নামক এক ধরনের অ্যালকালয়েড উপাদান থাকে। এই উপাদান শরীরের বৃদ্ধি পেলে গিঁটে গিঁটে ব্যথা বা বাতের ব্যথার সমস্যা তৈরি করে। এছাড়া অতিরিক্ত টমেটো খেলে অস্থিসন্ধিগুলো ফুলে উঠতে পারে। যার ফলে গিঁটে গিটে ব্যথা হয় এবং ফুলে যায়।

ডায়রিয়ার সমস্যাঃ পাকা টমেটোতে সালমোনেলা নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ডায়রিয়ার জন্য দায়ী। এছাড়া পাকা টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা অতিরিক্ত খেলে ডায়রিয়ার মত সমস্যা তৈরি হতে পারে।

লাইকোপিনোডার্মিয়াঃ টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন যা শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় জমা হলে লাইকোপিনোডার্মিয়া নামক এক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। রক্তে লাইকোপেন বেড়ে গেলে ত্বকের রং বদলাতে শুরু করে। এর ফলে ত্বক দিন দিন বর্ণহীন হয়ে পড়ে। আমাদের প্রতিদিন ৭৫ মিলিগ্রামের বেশি লাইকোপেন গ্রহণ করা উচিত নয়।

টমেটো মুখে মাখার উপকারিতা

পাকা টমেটো খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকে ব্যবহার করলে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়। পাকা টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ভিটামিন-সি, লাইকোপেন যা ত্বকের নানা ধরনের দাগ, বলি রেখা ও শুষ্কভাব দূর করে ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। টমেটো মুখে মাখার উপকারিতা সম্পর্কে নিচে তুলে ধরা হলো।

  • টমেটো রস করে তা মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। টমেটো রস ব্যবহার করলে আপনার মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যাবে এবং ত্বক পরিষ্কার হবে। এর ফলে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পাবে।
  • টমেটোর রস ব্যবহার করলে রোদে পোড়া ত্বকের ক্ষতিকর প্রভাব দূর হয়েযাবে এবং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা আবার ফিরিয়ে আসবে।
  • ত্বকের বিভিন্ন ছিদ্র ও ব্ল্যাক হেডস দূর করতে টমেটো রস বেশ কার্যকরী। পাকা টমেটো কেটে অর্ধেক অংশ নিয়ে তার সাথে সামান্য পরিমাণ চিনি ভরিয়ে মুখে ১০ মিনিটের মত ঘষে নিয়ে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার মুখে সমস্যা দ্রুত দূর হয়ে যাবে।
  • টমেটো রসের সাথে মধু যোগ করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এরপর পেস্টটি ১৫ মিনিটের মতো মুখে লাগিয়ে রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার মুখের উজ্জলতা অনেক গুনে বৃদ্ধি পাবে।
  • টমেটোর রস ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। টমেটো রসের সাথে সমপরিমাণ তরল দুধ মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। যখন আপনার ত্বক ময়লা হবে, তখন মিশ্রণটি অল্প করে আঙ্গুল দিয়ে আপনার মুখে কিছুক্ষণের জন্য লাগিয়ে রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে করে দেখবেন আপনার মুখের ময়লা পরিষ্কার হয়ে গেছে।
  • গরমের সময় বাহির থেকে আসার পর ত্বকের যে জ্বালাপোড়া শুরু হয়,তা দূর করার জন্য টমেটো রস গোটা মুখে ও হাত-পায়ে কিছুক্ষণের জন্য লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন দেখবেন আপনার ত্বকের জ্বালাপোড়া দূর হয়ে গেছে।
  • তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বেশি দেখা যায়। টমেটো রস ব্যবহার করলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে আপনার ব্রণের সমস্যা ভালো হয়ে যাবে।
  • পাকা টমেটো রস ব্যবহার করলে ত্বকের কুঁচকানো ভাব দূর হয়ে ত্বক টানটান ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

শেষ কথা

আমরা উপরের আলোচনা থেকে পাকা টমেটোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলাম। পাকা টমেটোর অপকারিতার চাইতে উপকারিতা অনেক বেশি। টমেটো পুষ্টিগুণ অনেক যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে থাকে। এজন্য আমাদের অবশ্যই নিয়মিত পাকা টমেটো সালাদ করে ও রান্না করে খাওয়া উচিত।

পরিশেষে আমি এটাই বলব যে, টমেটো নিয়ে আমার এই পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন এবং এ ধরনের আরো পোস্ট পেতে সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

AN Heaven এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url