গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় যা জানা অত্যন্ত জরুরী

টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকারপ্রিয় পাঠক, আপনারা যদি গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন, তাহলে আমার সাথেই থাকুন। বর্তমান সময়ে গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হওয়া একটি সাধারন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় সকল গর্ভবতী মায়ের এই সমস্যাটি হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কারণও রয়েছে অনেক যার ফলে গর্ভবতী মায়ের রক্তশূন্যতা হয়ে থাকে। আজকে আমি আমার এই পোস্টে গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায়

তাই আপনারা যদি গর্ভাবস্থার রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় সম্পর্কে তথ্য পেতে চান তাহলে এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি আশা করি যে, এই পোস্টটি পড়লে আপনার অনেক উপকৃত হবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃগর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় যা জানা অত্যন্ত জরুরী

ভূমিকা

গর্ভাবস্থা একটি জটিল সময়, এই সময় গর্ভবতী মাকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এই সময়কালে একজন গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়। গর্ভাবস্থায় রক্তের পরিমাণ কত থাকা প্রয়োজন, গর্ভাবস্থায় শরীরে দুর্বল লাগে কেন, গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কারণ, গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার লক্ষণ এবং গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় সমূহ সকলেরই জেনে রাখা জরুরি। এ সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত না থাকলে গর্ভকালীন সমস্যায় অনেক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য প্রত্যেক গর্ভবতী মাকে ও তার পরিবার সদস্যকে এস বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকা উচিত।

গর্ভাবস্থায় রক্তের পরিমাণ কত থাকে

গর্ভাবস্থায় নারীদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায়। যার কারণে গর্ভের শিশু সুস্থ ভাবে বের উঠতে পারে না। এজন্য প্রত্যেকের উচিত গর্ভবতী নারীদের প্রতি যত্নশীল হওয়া। গর্ভাবস্থায় যাতে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে না যায় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় নারীদের শরীরে যে পরিমাণ হিমোগ্লোবিন থাকা প্রয়োজন তা নিচে আলোচনা করা হলো।

  • স্বাভাবিক অবস্থায়ঃ ১২-১৫.৫ গ্রাম বা ডেসিলিটার
  • গর্ভাবস্থার প্রথম মাসেঃ ১১.৫-১৩.৫ গ্রাম বা ডেসিলিটার
  • গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় মাসেঃ ৯.৭-১৪.৮ গ্রাম বা ডেসিলিটার
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় মাসেঃ ৯.৫-১৫ গ্রাম বা ডেসিলিটার

গর্ভাবস্থায় শরীর দুর্বল লাগে কেন

গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। এসব পরিবর্তনের কারণে কাজ করার ক্ষমতা কমে আসে এবং শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়। এ সময় শরীরের হরমোনের পরিবর্তন ঘটে যার ফলে শরীর দুর্বল অনুভব হয়। গর্ভাবস্থায় শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয় যার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। গর্ভাবস্থায়  শরীর দুর্বল লাগে কেন সে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

  • শরীরে আয়রনের অভাব হলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় যার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।
  • গর্ভাবস্থায় ঘুমের অনিয়ম হয়ে থাকে, সহজে ঘুম আসে না এটিও শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়ার একটি কারণ।
  • এ সময় রক্তচাপ কমে যায় এ কারণে শরীর দুর্বল লাগে।
  • গর্ভাবস্থায় শারীরিক পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা শরীরে অনুভূত হয়। এই ব্যথা বেদনার কারণে শরীর দুর্বল লাগে।
  • এ সময় সাধারণত শরীরের সুগার কমে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে। সুগার কমে গেলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
  • এ সময় খাবার খেলে বদহজম হয়ে বমি হয়ে যায়, খাবার পেটে থাকতে চায় না। খাবার পেটে না থাকার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।
  • অনেকের গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হয়ে থাকে, এই ডায়াবেটিসের কারণেও শরীর দুর্বল হয়ে যায়।
  • এই সময় অনেকের প্রেসার হাই থাকে আবার অনেকের প্রেসার লো থাকে প্রেসারের সমস্যার কারণে শরীর খারাপ হয়ে পড়ে।
  • গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মা যদি কোন বিষয় নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করে, তাহলে তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কারণ

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা একটি সাধারণ বিষয়। প্রায় সকল গর্ভবতীদের এই রক্তশূন্যতার সমস্যা হয়ে থাকে। কারো ক্ষেত্রে কম আবার কারো ক্ষেত্রে বেশি এই সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে আয়রনের অভাব হলে এই রক্তশূন্যতা হয়ে থাকে। এছাড়া আরো নানা কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে। গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।

  • গর্ভাবস্থায় আয়রনযুক্ত খাবার কম খেলে রক্তশূন্যতা হতে পারে।
  • গর্ভাবস্থায় অনেকের বমি হয়ে থাকে, এই বমি হওয়ার কারণে পেটে খাবার থাকে না যার ফলে শরীর রক্তশূন্য হয়ে পড়ে।
  • অনেকের গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে ব্লিডিং হয়ে থাকে। এই ব্লিডিং হওয়ার কারণে শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।
  • অনেক সময় গর্ভবতী মাকে তার চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার খেতে দেওয়া হয় না। যার কারণে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
  • ভিটামিন বি এর অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে। কারণ ভিটামিন বি রক্তের লোহিত কণিকা গঠনে সহায়তা করে।
  • গর্ভবতী মায়ের যদি আগে থেকেই কোন শারীরিক অসুখ থেকে থাকে, তাহলে গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়া সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • অনেকের হরমোনজনিত সমস্যার কারণে গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
  • অনেক সময় স্বল্প সময়ের ব্যবধানে গর্ভধারণ করলে শরীরের রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
  • যারা আগ থেকেই রক্তস্বল্পতায় ভুগে থাকে, গর্ভধারণের পর তারা রক্তশূন্যতায় আরো বেশি ভুগে থাকে।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার লক্ষণ

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হওয়া একটি কমন বিষয়। বেশিরভাগ গর্ভবতীকেই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কিছু সাধারণ লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়, যা দেখে আমরা বুঝতে পারবো যে শরীরে রক্তশূন্যতা হয়েছে। নিচে গর্ভ অবস্থায় রক্তশূন্যতার লক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো।

  • রক্তশূন্যতা হলে শরীর প্রচুর দুর্বল হয়ে যায় এবং ক্লান্তি অনুভূত হয়।
  • রক্তশূন্যতার কারণে মাথা ঘুরে ও মাথা প্রচন্ড ব্যথা করতে থাকে।
  • শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অনেক সমস্যা হয় এবং বুকের মধ্যে ধরফর করে।
  • খুব দ্রুত অনিয়মিত হৃদস্পন্দন উঠানামা করে।
  • রক্তশূন্যতা হলে বুক প্রচন্ড ব্যথা করে এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে।
  • ঠোঁটে ও মুখের ভিতরে ঘা বা ক্ষতর সৃষ্টি হয়।
  • সব সময় বমি ভাব হয় এবং খাওয়াতে অরুচি চলে আসে।
  • মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যায় এবং চোখ সাদা হয়ে যায়।
  • কোন কাজ করতে শক্তি পাওয়া যায় না, শরীর যেন নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
  • রক্তস্বল্পতা হলে শরীরের রগগুলো টেনে ধরবে ও প্রচন্ড যন্ত্রণা করবে।
  • পেট ফেঁপে যাবে, বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায়

সব গর্ভবতীদেরই গর্ভাবস্থায় রক্তের পরিমাণ অনেক কমে যায়। এজন্য আমাদের উচিত গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়া। আমরা যদি গর্ভবতী নারীদের প্রতি যত্নশীল না হই তাহলে তার গর্ভের সন্তান সুস্থ ভাবে পৃথিবীতে আসতে পারবে না। এজন্য আমাদের উচিত গর্ভাবস্থায় নারীদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো ও যত্ন নেওয়া। প্রত্যেকের উচিত গর্ভবতী মায়ের প্রতিদিনের খাবারের তালিকা তৈরি করা। গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

  • গর্ভাবস্থায় নারীদের অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি খাওয়াতে হবে।
  • কচুর শাক, কলার মোচা, কলার ভাদল এই সবে প্রচুর পরিমাণ আয়রন থাকে। যা গর্ভাবস্থায় খাওয়ালে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
  • এ সময় রোগীকে দুধ ও ডিম নিয়মিত খাওয়াতে হবে।
  • সিমের বিচি, বাদাম, কলা, ফুলকপি, ব্রকলি, পাতাযুক্ত সবজি, ভাত ইত্যাদি ফলিক এসিডের অন্যতম উৎস। গর্ভাবস্থায় অবশ্যই ফলিক এসিডযুক্ত খাবারগুলো খাওয়াতে হবে।
  • রক্তশূন্যতা পূরণের জন্য গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগির মাংস ও কলিজা খাওয়ান।
  • রক্ত বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন পালং শাক, লাল শাক, সবুজ শাক, পুঁইশাক ইত্যাদি খাওয়ান।
  • খেজুরে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে এজন্য গর্ভবতী অবস্থায় রোগীকে খেজুর নিয়মিত খেতে দিন।
  • এ সময় রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাদ্য যেমন- ডাল, স্যুপ, ডাবের পানি ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।
  • আয়রনের ভালো উৎস হল সামুদ্রিক মাছ। এছাড়া দেশীয় মাছ যেমন-শিং মাছ, টেংরা মাছ, কৈ মাছ ও অন্যান্য ছোট মাছ খাওয়াতে পারেন।
  • এ সময় ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল খাওয়াতে হবে। এতে করে রক্তস্বল্পতার যে সমস্যা রয়েছে তা দূর হবে এবং রক্ত কণিকা পরিশুদ্ধ হবে।
  • কাঁচা ও পাকা কলাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। যা গর্ভবতীকে খাওয়ালে রক্তস্বল্পতা হাত থেকে রক্ষা পাবে।
  • অতিরিক্ত রক্তশূন্যতা হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রন ট্যাবলেট খেতে দিতে হবে।
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।
  • এ সময় রক্ত অতিরিক্ত কমে গেলে রক্তের ইনজেকশন দিতে হবে।

গর্ভাবস্থায় বাম পাশে ঘুমালে কি হয়

গর্ভাবস্থায় বামপাশে ঘুমালে কি হয় আসুন আমরা সে সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই। গর্ভাবস্থায় পাশ ফিরে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো অভ্যাস। সাধারণত চিকিৎসকরা গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মাকে বাম পাশ হয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গর্ভাবস্থায় ভ্রুন দিন দিন বড় হতে থাকে, এজন্য স্বাভাবিকভাবেই মায়ের অভ্যন্তরীণ অর্গান ও রক্তনালিতে ধীরে ধীরে চাপ বাড়তে থাকে। এ সময় গর্ভের শিশু মায়ের ব্লাডারে লাথি মারে তখন গর্ভবতী মা ব্যথা অনুভব করে। বাম পাশ হয়ে শুয়ে থাকলে সাধারণত ব্যথা কম অনুভব হয়।

আরও পড়ুনঃ রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার কারণ ও করণীয় 

এছাড়া বাম পাশ হয়ে শুয়ে থাকলে বা ঘুমালে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং হৃৎপিণ্ড থেকে জরায়ুর সঙ্গে সংযুক্ত প্লাসেন্টায় পুষ্টি সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ নিশ্চিত করে শিশুর পুষ্টি যোগায়। বাম পাশ হয়ে শুয়ে থাকলে কিডনির কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়, শরীরের বর্জ্যগুলো কার্যকর ভাবে অপসারণ হতে পারে এবং হাত-পা ও পায়ের গোড়ালি ফোলা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধির ঔষধ

বিভিন্ন ধরনের খাবারের পাশাপাশি রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধির ঔষধও রয়েছে যেগুলো খেলে আমাদের শরীরের রক্তশূন্যতা দূর হয় বা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। নিচে রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধির ঔষধ এর নাম উল্লেখ করা হলো।

  • Zepiron Plus Capsule
  • Feviz PLUS CapsuleFeofol CI Capsule
  • Pregmin Capsule
  • Ferromax Capsule
  • Ipec-plus Tablet
  • Filofer Capsule
  • Malifa Capsule
  • Hemofix FZ Tablet
  • Aristofol Fe Tablet
  • Zeefol CI Capsule
  • Zif CI Capsule
  • Fer Capsule
  • Zifocap Capsule
  • Folzin CI Capsule
  • Ferozi CI Capsule

বিঃদ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরনের ঔষধ খাবেন না।

শেষ কথা

এতক্ষণ আমরা গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্য দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম। গর্ভবতী মায়ের রক্তশূন্যতা হয়েছে কিনা সেদিকে আমাদের নজর রাখা অতি জরুরী। যদি দেখা যায় শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দিয়েছে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং রক্তশূন্যতা দূর করার ঔষধ এবং পুষ্টিকর খাবার বেশি বেশি খেতে দিতে হবে।

পরিশেষে আমি আপনাদের বলতে চাই যে, এই পোস্টটি পড়ে আপনাদের কিছুটা হলেও যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন এবং এই ধরনের আরো পোস্ট পেতে সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

AN Heaven এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url