ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে রাখুন

ছাদে বাগান করার সহজ পদ্ধতি ও পরিচর্যাপ্রিয় পাঠক, আজ আমি আপনাদের সামনে ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে নানা ধরনের তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করব। ড্রাগন ফল আমরা সকলেরই কমবেশি পছন্দ করে থাকে। ড্রাগন একটি রসালো ও মিষ্টি সুস্বাদু ফল। ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই এই ফলটি দারুন জনপ্রিয়। আর গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। তবে আমাদের অনেকেরই ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা তেমন একটা বেশি ধারণা নেয়। আমরা যদি ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে অবগত হই তাহলে আমাদের এই ফলের প্রতি আরো বেশি আকর্ষণ বৃদ্ধি পাবে। আজকে আমি আমার এই আর্টিকেলটি ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা নিয়ে লিখেছি।

ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

তাই আপনারা যদি ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে অবশ্যই আমার এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আমি আশা করছি যে, এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা ড্রাগন ফল সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে রাখুন

ভূমিকা

বর্তমান সময়ে ড্রাগন ফল একটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতার কারণে দিন দিন এই ফলটি আরো সুপরিচিত হয়ে উঠছে। নিয়মিত যদি আমরা ড্রাগন ফল খাই তাহলে আমাদের সকল পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। আমি আমার এই আর্টিকেলে ড্রাগন ফলে প্রকারভেদ, ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা এবং ড্রাগন ফলের অপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করেছি।

আরও পড়ুনঃ পাকা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

আপনারা যদি এই আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে ড্রাগন ফল সম্পর্কে নানা ধরনের অজানা তথ্য জানতে পারবেন এবং অন্যকে জানাতে পারবেন। তাহলে আসুন ড্রাগন ফল সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন শুরু করা যায়।

ড্রাগন ফলে প্রকারভেদ

ড্রাগন ফল সাধারণত বিভিন্ন প্রজাতির হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে ড্রাগন ফল ৩ প্রজাতির চাষ বেশি হয়ে থাকে। যেমন-

  • লাল ড্রাগন ফল বা পিটাইয়া। এই জাতের ড্রাগন ফলের খোসার রং লাল ও ভিতরের শাঁস সাদা হয়। এই জাতের ফলটি খেতে টক-মিষ্টি স্বাদ।
  • লাল ড্রাগন বা কোস্টারিকা। এই জাতের ড্রাগন ফলের খোসা ও ভিতরের শাঁস উভয়ই লাল রঙের হয়ে। এই জাতের ফলটি খেতে অনেক মিষ্টি।
  • হলুদ রঙের ড্রাগন ফল। এই জাতের ড্রাগন ফলের খোসার রং হলুদ ও ভিতরের শাঁস সাদা রঙের।

এছাড়া বাংলাদেশে এই ছেলে বেশ কয়েকটি জাতের ড্রাগন ফল উদ্ভাবিত হয়েছে। যেমন-
  • বারি ড্রাগন ফল-১
  •  বাউ ড্রাগন ফল-১ (সাদা)
  • বাউ ড্রাগন ফল-২ (লাল)
  • বাউ ড্রাগন ফল-৩

ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ

ড্রাগন ফল নানা ধরনের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। এর ফলে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। নিচে ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ তুলে ধরা হলো।

প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ
  • পানি- ৮০-৯০ গ্রাম
  • শর্করা- ৯-১০ গ্রাম
  • প্রোটিন- ১-২ গ্রাম
  • চিনি- ৮-১২ গ্রাম
  • আঁশ- ০.৩৩-০.৯০ গ্রাম
  • ক্যালোরি- ৫০-৬০ গ্রাম
  • কার্বোহাইড্রেট- ৯-১৪ গ্রাম
  • ফসফরাস- ১৬-৩৫ গ্রাম
  • চর্বি বা ফ্যাট- ০.১০-০.৬ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম- ৬-১০ মিলিগ্রাম
  • আইরন- ০.৩-০.৭ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন বি৩- ০.২-০.৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিনের এ- অল্প পরিমাণে
  • থায়ামিন- অল্প পরিমাণে

এছাড়া ড্রাগন ফলে রয়েছে ওমেগা থ্রি, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি ট২, ম্যাগনেসিয়াম সহ আরো নানা পুষ্টি উপাদান।

গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভবতী মায়ের জন্য ড্রাগন ফল একটি আদর্শ খাবার। এই ফলে অনেক ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে যা গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।

  • সাধারণত গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দেয়। এ সময় বেশি বেশি পানি ও পানিজাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। আর ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণ পানি রয়েছে। যা একজন মায়ের গর্ভকালীন পানি শূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে ফাইবার বা আঁশ, যা গর্ভকালীন অবস্থায় গর্ভবতী মায়ের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • গর্ভকালীন অবস্থায় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয়ে থাকে। ড্রাগন একটি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ফল যা গ্রহণ করার মাধ্যমে গর্ভবতী মায়ের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে অনেক বেশি আয়রন। সাধারণত গর্ভকালীন অবস্থায় প্রতিটি গর্ভবতী মায়েরই রক্তশূন্যতা দেখা দিয়ে থাকে। এ সময় যদি গর্ভবতী মা বেশি বেশি ড্রাগন ফল খায়, তাহলে তার রক্তশূন্যতা দূর করা সম্ভব।
  • গর্ভের সন্তানের ত্রুটিহীন ভ্রুনের বিকাশের জন্য ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। ড্রাগন ফলে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা গর্ভবতী মা ও তার সন্তানের পুষ্টির জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
  • এ সময় প্রত্যেক গর্ভবতী মা শারীরিকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যা একজন গর্ভবতী মায়ের শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • এ সময় প্রত্যেক গর্ভবতী মাকে শর্করা ও প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও শর্করা। এজন্য গর্ভাবস্থায় বেশি বেশি ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট ও ম্যাগনেসিয়াম যা গর্ভবতী মায়ের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরের কার্বোহাইড্রেট ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
  • গর্ভের সন্তানের নড়াচড়া, হার্টবিট ও মস্তিষ্কের স্নায়ু সচল রাখার জন্য গর্ভাবস্থায় মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। এ সময় মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে গর্ভের সন্তান নড়াচড়া ভালোভাবে করতে পারে। ড্রাগন ফলে রয়েছে অনেক পরিমানে প্রাকৃতিক চিনি যা গর্ভের সন্তানের নড়াচড়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
  • গর্ভাবস্থায় চর্বি জাতীয় খাবার কম খাওয়াই ভালো। ড্রাগন ফলে রয়েছে অতি কম পরিমাণে স্বাস্থ্যকর চর্বি। যা খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পাবে কিন্তু চর্বি জমবে না।

ড্রাগন ফলের উপকারিতা

ড্রাগন ফলের অনেক উপকারিতা রয়েছে। ড্রাগনে উপস্থিত পুষ্টিগুণ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিচে ড্রাগন ফলের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

  • ড্রাগন ফল আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই ফলে থাকা উপাদান আমাদের রক্তের খারাপ কোলেস্টরেল কমিয়ে ভালো কোরিস্টোলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
  • ড্রাগন ফলে ক্ষতিকর চর্বি বা ফ্যাট নেই বললেই চলে। যে কারণে ড্রাগন ফল খেলে আমাদের শরীরের ওজন তেমন একটা বৃদ্ধি পায় না। যারা ডায়েট করতে যান তারা অবশ্যই ড্রাগন ফল খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা যদি নিয়মিত ড্রাগন ফল যদি খায়, তাহলে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যাবে।
  • আমাদের শরীরে পানি স্বল্পতা হলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। ড্রাগনে প্রচুর পরিমাণে পানি রয়েছে তাই আমাদের উচিত বেশি বেশি এই ফলটি খাওয়া। এতে করে আমাদের শরীরে পানির ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব হবে।
  • ড্রাগন ফল নানা গুনে সমৃদ্ধ। ডায়াবেটিস রোগী যদি তার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন একটি করে ড্রাগন ফল রাখে তাহলে তা ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো।
  • ড্রাগন ফলে থাকা ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের হাড়কে মজবুত করতে সাহায্য করে। এর জন্য যাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে তারা নিয়মিত ড্রাগন ফল খান।
  • ড্রাগন ফল ক্যান্সার প্রতিরোধ হিসেবে ভালো কাজ করে। ড্রাগন ফলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার উৎপাদনকারী কোষগুলোকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে অধিক মাত্রায় পটাশিয়াম। পটাশিয়াম কিডনিকে সুস্থ রাখে এবং কিডনিতে পাথর জমতে বাধা দেয়। এজন্য আপনার কিডনিকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ড্রাগন ফল খান।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে ভিটামিন সি যা আমাদের ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা ও ব্রণ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যাদের ত্বকের ব্রণের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত ড্রাগন ফল খাবেন।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। যা আমাদের শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করবে।
  • ড্রাগন ফল বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি ফল যা নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং চোখে না ধরণের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  • ড্রাগণ ফলের কালো বীজ গুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ যা হার্টকে সুস্থ রাখার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যা আমাদের শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। যারা অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম করে থাকেন তাদের অবশ্যই নিয়মিত এই ফলটি খাওয়া উচিত।
  • চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে আমাদের ব্রেন সচল থাকে এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর ড্রাগন ফলে রয়েছে অনেক পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এজন্য সরাসরি চিনি দিয়ে তৈরি খাবার না খেয়ে যদি আমরা ড্রাগন ফল খাই তাহলে আমাদের শরীরের জন্য তা সবচেয়ে উপকারী।
  • ড্রাগন ফলে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স । যাদের খাবারে অরুচি রয়েছে এবং খাবার খেতে ইচ্ছা করে না তাদের এই ফলটি বেশি বেশি করে খাওয়া উচিত। এতে করে খাবার খাওয়ার রুচি বৃদ্ধি হবে।

ড্রাগন ফলের অপকারিতা

ড্রাগন ফলের কিছু অপকারিতা রয়েছে। তবে এই ফলটির উপকারের দিকের চেয়ে অপকারের দিক তুলনামূলক খুবই কম। ড্রাগন ফলের যে কয়টি অপকারিতা দিক রয়েছে তা নিচে তুলে ধরা হলো।

  • যাদের খাদ্য গ্রহণে এলার্জি সমস্যা হয়ে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খেলে এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • ড্রাগন ফলের প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যাদের পেটের সমস্যা রয়েছে তারা যদি বেশি করে ড্রাগন ফল খায় তবে ডায়রিয়া ও আমাশয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • ড্রাগন ফল অনেক মিষ্টি হওয়ার কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে না। ডায়াবেটিস রোগীরা অতিরিক্ত মাত্রায় ড্রাগন ফল খেলে ডায়াবেটিসের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • ড্রাগন ফল একটি ভারী খাবার যা অতিরিক্ত খেলে পেট সহজেই ভরে যায়। এতে করে অন্য খাবার খাওয়ার রুচি হারিয়ে যায়।
  • যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে তারা যদি অতিরিক্ত মাত্রায় খালি পেটে ড্রাগন ফল খায়, তাহলে গ্যাসে সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা থাকে।
  • গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাওয়া ভালো কিন্তু এ সময় অতিরিক্ত পরিমাণে ড্রাগন ফল না খাওয়াই ভালো। গর্ভাবস্থায় পরিমাণ মতো ড্রাগন ফল খেতে হবে।
  • যাদের এজমার সমস্যা রয়েছে, অনেক সময় ড্রাগন ফল খেলে তাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • গর্ভকালীন সময়ে যাদের বমি বমি ভাব হয় বা বমি হয় তাদের ড্রাগন ফল খেলে বমি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

শেষ কথা

উপরের আলোচনা থেকে আমরা ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। ড্রাগন ফলের পুষ্টি উপাদানের তুলনা নেয়। সকল ধরনের পুষ্টিগুণ এই ফলটিতে বিদ্যমান রয়েছে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিয়মিত এই ফলটি খাওয়া।

পরিশেষে আমি এটাই বলব যে ড্রাগন ফল নিয়ে লিখা আমার আর্টিকেলটা যদি আপনাদের করে ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন এবং এ ধরনের আরও আর্টিকেল পেতে সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

AN Heaven এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url